ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগেরহাটে সাংবাদিকের শাশুড়ির মৃত্যু বিভিন্ন মহলের শোক নড়াইলের বিভিন্নস্থানে বাৎসরিক মতুয়া মহোৎসব অনুষ্ঠিত শরণখোলায় গলায় ওড়না পেচিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা ৭ কোটির স্ক্র্যাপ ১ কোটিতে, ৬ কোটি টাকার ঘাপলা সুবর্ণচরে পাওয়ার টিলার চাপায় প্রাণ গেলো স্কুল শিক্ষার্থীর বর্ণ সংঘের উদ্যোগে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা’২৪ সম্পন্ন বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে তিন যুবককে কুপিয়ে আহত মতিঝিল থানার শ্রেষ্ঠ যুবলীগ নেতা ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি হাসান উদ্দিন জামাল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মোরেলগঞ্জের পোলেরহাট বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, ১৩ দোকান পুড়ে ছাই

ইউপি চেয়ারম্যানের সালা্হউদ্দিন চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে চাউল চুরির অভিযোগ 

  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
  • ২১৮১ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:-  লক্ষীপুর সদর উপজেলা চন্দ্রগঞ্জ থানা অধীনে আজ(২-এপ্রিল) মঙ্গলবার ২০২৪ইং ১৩ নং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সালাহ্উদ্দিন চৌধুরী জাবেদ অধীনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অসহায় দুষ্ট মানুষের মাঝে সরকারি চাউল তান বিতরণ করেছিলেন অসহায় ব্যক্তিদেরকে চাউল না দিয়ে।গ্রাম চৌকিদার মালিকের নেতৃত্বে বিকাল ৪ ঘটিকার সময় চাউল নেওয়ার সময় গোপন ভিডিও ধারণ করা হয়।

একটি অনুসন্ধানে জানা যায় সকাল থেকে চাউল বিতরণ করেছিলেন প্রতি সিলিপ থেকে ১০ কেজি থেকে ৮ কেজি করে দিয়েছিলে।বেলা ২:০০ টার থেকে চাউল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে গোডাউনে চাউল নাই বলে অসহায় সাধারণ জনগণকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। খুবই দুঃখজনক ঘটনা চেয়ারম্যান হয় সাধারণ জনগণের বন্ধু,

কিন্তু তিনি জনগণের দিকে না তাকিয়ে নিজের পকেট বারি করার জন্য চাউল রেখে দেন। চেয়ারম্যান সরকারি তান সাধারণ জনগনের দিতেও কষ্ট হয়।

এ সময় সাধারণ জনগণ আরো বলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্তায় দাঁড়িয়ে থাকিও সরকারি চাউল ভাগ্য জুটলো না।চেয়ারম্যান হয় জনগণের বন্ধু এখন চেয়ারম্যান হয় জনগণের শত্রু সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর যেন কোন চেয়ারম্যান দুর্নীতি অনিয়ম না করতে পারে জেলা প্রশাসকের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অসংখ্য দুর্নীতির অভিযোগ ভিডিও ধারণের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এই সময় মোঠ ফোনে অনেক মেম্বারের সাথে কথা বলার সময় তারা বলেন,ঘটনা আমরা শুনেছি,ভিডিও আমরা পেয়েছি কি করব।দুঃখজনক ঘটনা”দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা যা করবে তাই মেম্বাররা মেনে নিতে হয়।আমরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে এ পাঁচ বছরের জন্য চেয়ারম্যান হয়েছে।কেউ পরিষদে না আসলেও পরিষদ চালাতে পারবো তাই আমরা তার বিরুদ্ধে কিছু বলার আমাদের সাহস নাই ধন্যবাদ বলে ফোন কেটে দিলেন।

একজন অসহায় ব্যক্তি বলেন,খুবই দুঃখজনক ঘটনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমাদের অসহায় ব্যক্তিদের জন্য চাউল দিয়েছিলেন।কিন্তুক আমাদেরকে চাউল না দিয়ে’তিনি গ্রাম চৌকিদা র দিয়ে।এক্স সিএনজি আট বস্তা চাউল ও অটো রিক্সা তে পাঁচ বস্তা চাউল নিয়ে চলে যায় আমাদের দুই চোখে র পানি ঝরে পড়ছিল।আমরা অসহায় ব্যক্তি হিসেবে আমরা সরকারি উপহার পাওয়ার যোগ্য কিন্তু আমাদে রকে না দিয়ে।

চেয়ারম্যানের পকেট বারি করার জন্য চাউল গুলো নিয়ে যায় খুবই দুঃখজনক ঘটনা সত্য উদঘাটন করে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এরকম চেয়ারম্যান থাকার চেয়ে না থাকায় অনেক ভালো।দীর্ঘ আড়াই বছরে তিনি ভাই দখল জমি দখল জোরপূর্বভাবে মানুষকে হয়রানি করে এই ইউনিয়নকে রাজত্ব কায়েম করেছিলেন।

তার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া অনেকের ভিডিওনিউজ প্রকাশিত করেছে।এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের কে দিয়ে সাংবাদিকদেরকে হুমকি দিতে থাকেন।কোন সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে তিনি বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে বলে সাংবাদিকরা চাঁদাবাজি করতে যায় আসলে তিনি একজন চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ আন্ডার ওয়ানডের গডফাদার তার নেতৃত্বে সবকিছু চলে।
এ সময় চেয়ারম্যান কে মোটো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি ফোনটি বন্ধ ছিল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে সাংবাদিকের শাশুড়ির মৃত্যু বিভিন্ন মহলের শোক

ইউপি চেয়ারম্যানের সালা্হউদ্দিন চৌধুরী জাবেদের বিরুদ্ধে চাউল চুরির অভিযোগ 

আপডেট সময় : ১১:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:-  লক্ষীপুর সদর উপজেলা চন্দ্রগঞ্জ থানা অধীনে আজ(২-এপ্রিল) মঙ্গলবার ২০২৪ইং ১৩ নং দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সালাহ্উদ্দিন চৌধুরী জাবেদ অধীনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের অসহায় দুষ্ট মানুষের মাঝে সরকারি চাউল তান বিতরণ করেছিলেন অসহায় ব্যক্তিদেরকে চাউল না দিয়ে।গ্রাম চৌকিদার মালিকের নেতৃত্বে বিকাল ৪ ঘটিকার সময় চাউল নেওয়ার সময় গোপন ভিডিও ধারণ করা হয়।

একটি অনুসন্ধানে জানা যায় সকাল থেকে চাউল বিতরণ করেছিলেন প্রতি সিলিপ থেকে ১০ কেজি থেকে ৮ কেজি করে দিয়েছিলে।বেলা ২:০০ টার থেকে চাউল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে গোডাউনে চাউল নাই বলে অসহায় সাধারণ জনগণকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। খুবই দুঃখজনক ঘটনা চেয়ারম্যান হয় সাধারণ জনগণের বন্ধু,

কিন্তু তিনি জনগণের দিকে না তাকিয়ে নিজের পকেট বারি করার জন্য চাউল রেখে দেন। চেয়ারম্যান সরকারি তান সাধারণ জনগনের দিতেও কষ্ট হয়।

এ সময় সাধারণ জনগণ আরো বলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্তায় দাঁড়িয়ে থাকিও সরকারি চাউল ভাগ্য জুটলো না।চেয়ারম্যান হয় জনগণের বন্ধু এখন চেয়ারম্যান হয় জনগণের শত্রু সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আর যেন কোন চেয়ারম্যান দুর্নীতি অনিয়ম না করতে পারে জেলা প্রশাসকের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ থাকবে এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অসংখ্য দুর্নীতির অভিযোগ ভিডিও ধারণের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এই সময় মোঠ ফোনে অনেক মেম্বারের সাথে কথা বলার সময় তারা বলেন,ঘটনা আমরা শুনেছি,ভিডিও আমরা পেয়েছি কি করব।দুঃখজনক ঘটনা”দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা যা করবে তাই মেম্বাররা মেনে নিতে হয়।আমরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদেরকে হুমকি দিতে থাকে এ পাঁচ বছরের জন্য চেয়ারম্যান হয়েছে।কেউ পরিষদে না আসলেও পরিষদ চালাতে পারবো তাই আমরা তার বিরুদ্ধে কিছু বলার আমাদের সাহস নাই ধন্যবাদ বলে ফোন কেটে দিলেন।

একজন অসহায় ব্যক্তি বলেন,খুবই দুঃখজনক ঘটনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমাদের অসহায় ব্যক্তিদের জন্য চাউল দিয়েছিলেন।কিন্তুক আমাদেরকে চাউল না দিয়ে’তিনি গ্রাম চৌকিদা র দিয়ে।এক্স সিএনজি আট বস্তা চাউল ও অটো রিক্সা তে পাঁচ বস্তা চাউল নিয়ে চলে যায় আমাদের দুই চোখে র পানি ঝরে পড়ছিল।আমরা অসহায় ব্যক্তি হিসেবে আমরা সরকারি উপহার পাওয়ার যোগ্য কিন্তু আমাদে রকে না দিয়ে।

চেয়ারম্যানের পকেট বারি করার জন্য চাউল গুলো নিয়ে যায় খুবই দুঃখজনক ঘটনা সত্য উদঘাটন করে ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত আইন গত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এরকম চেয়ারম্যান থাকার চেয়ে না থাকায় অনেক ভালো।দীর্ঘ আড়াই বছরে তিনি ভাই দখল জমি দখল জোরপূর্বভাবে মানুষকে হয়রানি করে এই ইউনিয়নকে রাজত্ব কায়েম করেছিলেন।

তার বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া অনেকের ভিডিওনিউজ প্রকাশিত করেছে।এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের কে দিয়ে সাংবাদিকদেরকে হুমকি দিতে থাকেন।কোন সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে তিনি বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে বলে সাংবাদিকরা চাঁদাবাজি করতে যায় আসলে তিনি একজন চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ আন্ডার ওয়ানডের গডফাদার তার নেতৃত্বে সবকিছু চলে।
এ সময় চেয়ারম্যান কে মোটো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি ফোনটি বন্ধ ছিল।