ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামপুর ভূমিসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে জনসচেতনতা মূলক সভা আগামী রবিবারও মিলবে নড়াইলের ঐতিহ্যবাহী চাকই গরু- ছাগলের হাট মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্টুডেন্ট’স ফোরামের নেতৃত্বে ডা. মেহেদী ও সৈকত সাতকানিয়ায় কোরবানির ঈদ এখনো জমে উঠেনি বাজার হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখায় ও বিশেষ সম্মাননা পেলেন পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য হলেন প্রযুক্তিবিদ মোঃ শাহবাজ মিঞা শোভন বাংলাদেশে ইলেক্ট্রিক গাড়ি, লিথিয়াম ব্যাটারি ও চার্জিং স্টেশনকে প্রাধান্য দেওয়া হয় নাই: বিইএমএ স্মার্ট ও সুখী সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়তে যুবলীগ নিরলস কাজ করছে-হেলাল আকবর নজরুল রাজের প্রযোজনায় একক নাটক ‘রাইটার’

ইয়াংছা লামা-চকরিয়া যাতায়াতে বাস,চান্দের গাড়ির চেয়ে সিএনজিতে সুবিধা বেশি

  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১৭৯ বার পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ এমরান
বান্দরবান:- ইয়াংছা চকরিয়া লামা-আলীকদম সড়কে যাতায়াতের জন্য বাস,চান্দের গাড়ির চেয়ে সিএনজিতে বেশি সুবিধা বলেছেন যাত্রীরা।

২০ অক্টোবর ২০২৩, শুক্রবার সকালে ইয়াংছা স্টেশনে গেয়ে যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি, তারা বাস গাড়িতে উঠলে সহজে সিট পায়না। দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সিএনজির এক যাত্রী অংমে মার্মা বলেন, বাস গাড়িতে উঠলে বলে ইয়াংছার যাত্রীর সিট নেই, দাঁড়িয়ে যেতে পারলে যাও নাহয় নেমে যাও।
তিনি আরো বলেন, দিবারাত্রি সবসময় সিএনজি আমাদের উপকারে আসে, রাত ৮টার পর হলে বাস গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়।  রাতে যদি কোন রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়, তাহলে আমরা বাস আর চান্দের গাড়ি পায়না। কিন্তু সিএনজি যে কোন মুহূর্তেই পাশে পাই।

আরেক যাত্রী বলেন, বাস আর চান্দের গাড়ি গুলোর না আছে ফিটনেস না আছে সেবার মান।
একটা চান্দের গাড়িতে ১৪ জন যাত্রী হওয়ার জন্য ঘন্টাব্যাপী বা তারও বেশী অপেক্ষা করতে হয়। ইমার্জেন্সি রোগী বা ২, ৩ জন ফ্যামিলি মেম্বাররা রিজার্ভ নিলে চান্দের গাড়ির জন্য ভাডা গুণতে হয় ১২০০-১৫০০ টাকার মত, যেখানে আমরা ৩০০-৫০০ টাকার মধ্যে একটা সিএনজি রিজার্ভ করে চলে যেতে পারি, বাস আর চান্দের গাড়ি গুলোতে চড়লে মহিলা, শিশু, বয়স্কদের মাথা ঘোরায়, বমি হয়,কিন্তু সিএনজি তে করে গেলে আরামে সুন্দরভাবে যায়তে পারে।

আরেক যাত্রী বলেন, লামা থেকে চকরিয়া রোডের দূরত্ব ২৫ কিঃমি আর ভাড়া চান্দের গাড়িতে ৮০টাকা, বাসে ৭০ টাকা, তার উপর না আছে বসে আরাম না আছে যাত্রীসেবা। সিএনজিতে ইয়াংছা থেকে চকরিয়া গেলে ৫০টাকা, লামা গেলে ৫০টাকা। লামা থেকে চকরিয়া গেলে ১০০টাকা। সেই তুলনায় সিএনজির সার্ভিস অনেক ভালো।

সিএনজির যাত্রী,  মোঃ রেজাউল বলেন, আমরা সবসময় লামা-চকরিয়া যাতায়াত করি। দোকানের জন্য মালামাল আনি, আমাদের যাতায়াতে সিএনজি সুবিধা বেশি।  কারণ,  আমরা যে কোন মুহূর্তে সিএনজি পাশে পাই। মনে করেন,  আমি ইয়াংছায়, আমার দোকানের জন্য মালামাল আনতে হবে। সিএনজির যে কোন একটা ড্রাইভারকে কল দিলেই ওনারা মালামাল আনি আসে। আমার পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা সিএনজি পাশে পাই। রাত যতো গভীর হোকনা কেন, সিএনজির ড্রাইভারকে একটা কল দেওয়া মাত্র বাড়ির সামনে চলে আসে। আগে যখন সিএনজি ছিলোনা তখন আমাদের একটা রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য ১৫০০-২০০০টাকা গুণতে হতো। কিন্তু এখন সিএনজিতে ৩০০-৫০০টাকা দিয়েই চলে যেতে পারি।

ইয়াংছার একজন ব্যবসায়ী বলেন, একসময় আমাদের দোকানের মালামাল আনার জন্য বাস এবং চান্দের গাড়িতে ১০০০-১৫০০টাকা ভাড়া গুণতে হতো। কিন্তু এখন একটা সিএনজি রিজার্ভ করলে সর্বোচ্চ ৩০০-৪০০টাকা খরচ হয়। তাছাড়া চান্দের গাড়িতে ইয়াংছা থেকে সিট পাওয়া যায়না। বাসে হলে কোনরকম পিছনে বা বাক্সে সিট পাইলেও তা বসার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নেই গাড়ির ফিটনেস। রোদে হলে যেমন তেমন, বর্ষার সময় বৃষ্টির পানি গাড়ির ভিতর দিয়ে পড়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামপুর ভূমিসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে জনসচেতনতা মূলক সভা

ইয়াংছা লামা-চকরিয়া যাতায়াতে বাস,চান্দের গাড়ির চেয়ে সিএনজিতে সুবিধা বেশি

আপডেট সময় : ০৬:১৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩

মুহাম্মদ এমরান
বান্দরবান:- ইয়াংছা চকরিয়া লামা-আলীকদম সড়কে যাতায়াতের জন্য বাস,চান্দের গাড়ির চেয়ে সিএনজিতে বেশি সুবিধা বলেছেন যাত্রীরা।

২০ অক্টোবর ২০২৩, শুক্রবার সকালে ইয়াংছা স্টেশনে গেয়ে যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানতে পারি, তারা বাস গাড়িতে উঠলে সহজে সিট পায়না। দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সিএনজির এক যাত্রী অংমে মার্মা বলেন, বাস গাড়িতে উঠলে বলে ইয়াংছার যাত্রীর সিট নেই, দাঁড়িয়ে যেতে পারলে যাও নাহয় নেমে যাও।
তিনি আরো বলেন, দিবারাত্রি সবসময় সিএনজি আমাদের উপকারে আসে, রাত ৮টার পর হলে বাস গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়।  রাতে যদি কোন রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়, তাহলে আমরা বাস আর চান্দের গাড়ি পায়না। কিন্তু সিএনজি যে কোন মুহূর্তেই পাশে পাই।

আরেক যাত্রী বলেন, বাস আর চান্দের গাড়ি গুলোর না আছে ফিটনেস না আছে সেবার মান।
একটা চান্দের গাড়িতে ১৪ জন যাত্রী হওয়ার জন্য ঘন্টাব্যাপী বা তারও বেশী অপেক্ষা করতে হয়। ইমার্জেন্সি রোগী বা ২, ৩ জন ফ্যামিলি মেম্বাররা রিজার্ভ নিলে চান্দের গাড়ির জন্য ভাডা গুণতে হয় ১২০০-১৫০০ টাকার মত, যেখানে আমরা ৩০০-৫০০ টাকার মধ্যে একটা সিএনজি রিজার্ভ করে চলে যেতে পারি, বাস আর চান্দের গাড়ি গুলোতে চড়লে মহিলা, শিশু, বয়স্কদের মাথা ঘোরায়, বমি হয়,কিন্তু সিএনজি তে করে গেলে আরামে সুন্দরভাবে যায়তে পারে।

আরেক যাত্রী বলেন, লামা থেকে চকরিয়া রোডের দূরত্ব ২৫ কিঃমি আর ভাড়া চান্দের গাড়িতে ৮০টাকা, বাসে ৭০ টাকা, তার উপর না আছে বসে আরাম না আছে যাত্রীসেবা। সিএনজিতে ইয়াংছা থেকে চকরিয়া গেলে ৫০টাকা, লামা গেলে ৫০টাকা। লামা থেকে চকরিয়া গেলে ১০০টাকা। সেই তুলনায় সিএনজির সার্ভিস অনেক ভালো।

সিএনজির যাত্রী,  মোঃ রেজাউল বলেন, আমরা সবসময় লামা-চকরিয়া যাতায়াত করি। দোকানের জন্য মালামাল আনি, আমাদের যাতায়াতে সিএনজি সুবিধা বেশি।  কারণ,  আমরা যে কোন মুহূর্তে সিএনজি পাশে পাই। মনে করেন,  আমি ইয়াংছায়, আমার দোকানের জন্য মালামাল আনতে হবে। সিএনজির যে কোন একটা ড্রাইভারকে কল দিলেই ওনারা মালামাল আনি আসে। আমার পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা সিএনজি পাশে পাই। রাত যতো গভীর হোকনা কেন, সিএনজির ড্রাইভারকে একটা কল দেওয়া মাত্র বাড়ির সামনে চলে আসে। আগে যখন সিএনজি ছিলোনা তখন আমাদের একটা রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য ১৫০০-২০০০টাকা গুণতে হতো। কিন্তু এখন সিএনজিতে ৩০০-৫০০টাকা দিয়েই চলে যেতে পারি।

ইয়াংছার একজন ব্যবসায়ী বলেন, একসময় আমাদের দোকানের মালামাল আনার জন্য বাস এবং চান্দের গাড়িতে ১০০০-১৫০০টাকা ভাড়া গুণতে হতো। কিন্তু এখন একটা সিএনজি রিজার্ভ করলে সর্বোচ্চ ৩০০-৪০০টাকা খরচ হয়। তাছাড়া চান্দের গাড়িতে ইয়াংছা থেকে সিট পাওয়া যায়না। বাসে হলে কোনরকম পিছনে বা বাক্সে সিট পাইলেও তা বসার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নেই গাড়ির ফিটনেস। রোদে হলে যেমন তেমন, বর্ষার সময় বৃষ্টির পানি গাড়ির ভিতর দিয়ে পড়ে।