ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের ববি শাখার নেতৃত্বে ইব্রাহিম-শান্ত প্রতারণার মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী ও তার স্বামী রিমান্ডে শাহজালালে যৌথ অভিযানে ২ কেজি ১০৪ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার, গ্রেফতার ৪ যাত্রী গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জাতীয় যুব কাউন্সিলের সভাপতি:মাসুদ আলম ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রামেবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন যুবলীগ নেতার মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী গ্রেফতার! ৪ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি’কে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ দূর্নীতিমুক্ত রিহ‍্যাব গড়তে চান আলিমুল্লাহ খোকন টিলাগাঁও আজিজুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় বারের মত সভাপতি নির্বাচিত শামিম আহমদ

দিনকাল বন্ধের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধনে

  • মাসুদ রানা
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩
  • ২৩৩৬ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, আওয়ামীলীগ কখনো গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই গণমাধ্যমের উপর খড়গ নেমে এসেছে। ১৯৭৫ সালে ৪টি পত্রিকা রেখে সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এবারও ক্ষমতায় এসে অসংখ্য পত্রিকা ও টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। পঞ্চাশজন সাংবাদিক হত্যা করেছে। দিনকাল, আমার দেশসহ অন্তত ৫০০ পত্রিকা বন্ধ হয়েছে এ সরকারের আমলে। এখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম এক কঠিন সময় পার করছে। মুক্ত সাংবাদিকতা দূরে থাক সাংবাদিকদের প্রাণ রক্ষাই এখন দায় হয়ে পড়েছে। বর্তমানে আওয়ামিলীগ সরকার গণমাধ্যমের শত্রু হিসেবে বারবার প্রমাণ দিয়েছে। এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় ছাড়া গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। এজন্য এই সরকারের পতন আন্দোলনে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

তিনি সাগর রুনীসহ সকল সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার এবং সব বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দেয়ার জোর দাবি জানান।

সোমবার (৬ মার্চ) বিকালে জামাল খান রোড়স্থ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে দৈনিক দিনকাল পত্রিকা বন্ধের প্রতিবাদে দিনকাল চট্টগ্রাম অফিস, দিনকাল পাঠক ফোরাম ও স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতির মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট, গুম খুনের কথা যাতে জনসমক্ষে উন্মোচিত হতে না পারে, সে জন্য একের পর এক পত্রিকা বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখন সাংবাদিকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। আজ সাংবাদিকেরা স্বাধীনভাবে লিখতে পারছেন না। অবিলম্বে দিনকাল খুলে না দিলে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

এতে সংহতি জানিয়ে একাত্বতা প্রকাশ করেন স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতি বাংলাদেশ, দৈনিক দিনকাল পাঠক ফোরাম, নারীও শিশু অধিকার ফোরাম, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার এসোসিয়েশন।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার দিনকাল বন্ধের আগে আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি, চ্যানেল ওয়ানসহ বহু সংবাদমাধ্যম বন্ধ করেছে। আওয়ামিলীগ ও গণমাধ্যম একসাথে যায় না। দিনকাল বন্ধ করে তারা আবারও তা প্রমাণ দিল। এভাবে দিনের পর দিন মিডিয়ার উপর কালো থাবা আর সহ্য করা যায় না। অবিলম্বে দিনকাল পত্রিকা খুলে না দিলে আন্দোলনের মাধ্যমে দিনকালসহ বন্ধ সকল গণমাধ্যম খুলে দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রবীণ সাংবাদিক নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ও জুডিসিয়াল কমিটির সাবেক সদস্য মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, একটি দেশের সরকারের চরিত্র গণতান্ত্রিক না স্বৈরতান্ত্রিক তা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার নিরিখেই বিচার হয়ে থাকে। একমাত্র স্বাধীন ও বাধামুক্ত সংবাদপত্র কার্যকরভাবে সরকারের বঞ্চনা উন্মোচন করতে পারে এবং স্বাধীন সংবাদপত্রের দায়িত্ব রাজির মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রধান কর্তব্য হল সরকারের যে কোন বিভাগকে জনসাধারণকে প্রবঞ্চনা করা হতে বিরত রাখা। এখন বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে নতজানু সাংবাদিক সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের বাধা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকতের সভাপতিত্বে এবং মো. ইদ্রিস আলী ও সাজ্জাদ হোসেন খানের পরিচালনায় মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক এম এ হালিম, স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতি কেন্দ্রীয় সভাপতি সাংবাদিক এস এম জামাল উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দীন, বিএনপি নেতা ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, ইন্জি. বেলায়েত হোসেন, ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান, এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, কাজী সালাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, দিনকাল চট্টগ্রাম অফিস প্রধান হাসান মুকুল, নারীও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব ডা.বেলায়েত হোসেন ঢালী, সাংবাদিক কামরুল হুদা, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, ড্যাব নেতা ডা. জাহিদ হাসান, বিএনপি নেতা এম মন্জুর উদ্দীন চৌধুরী, জিয়া উদ্দীন আশফাক, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, নবাব মিয়া, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর যুবদলের সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন, হাটহাজারী পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকের হোসেন, ইউসুফ সিকদার, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী সরোয়ার খান মন্জু, আকতার খান, জসিম উদ্দীন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, নগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দীন রাসেল, নগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, যুবনেতা জিল্লুর রহমান জুয়েল, হাফেজ কামাল উদ্দীন, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মো. আলাউদ্দিন, মো. সালাউদ্দীন, মো. হাসান, আবদুল জলিল, মাহাবুব খালেদ, জাকির হোসেন, মাঈনুদ্দীন খান রাজিব, লায়ন আনোয়ার হোসেন উজ্জল, সৌরভ প্রিয় পাল, আজম খান, শহীদ ইকবাল, জহুরা বেগম, দিদার হেসেন, এন মো. রিমন, শহিদুজ্জাম শহীদ, রফিকুল ইসলাম, বিপ্লব চৌধুরী বিল্লু, আবু কাউসার, মো. মিল্টন, শাহাদাত হোসেন নাবিল, মো তুষাণ, সত্যজিৎ বড়ুয়া রুপু, মাহফুজুর রহমান, শাহরিয়ার প্রমুখ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের ববি শাখার নেতৃত্বে ইব্রাহিম-শান্ত

দিনকাল বন্ধের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধনে

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, আওয়ামীলীগ কখনো গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই গণমাধ্যমের উপর খড়গ নেমে এসেছে। ১৯৭৫ সালে ৪টি পত্রিকা রেখে সব বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। এবারও ক্ষমতায় এসে অসংখ্য পত্রিকা ও টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। পঞ্চাশজন সাংবাদিক হত্যা করেছে। দিনকাল, আমার দেশসহ অন্তত ৫০০ পত্রিকা বন্ধ হয়েছে এ সরকারের আমলে। এখন বাংলাদেশের গণমাধ্যম এক কঠিন সময় পার করছে। মুক্ত সাংবাদিকতা দূরে থাক সাংবাদিকদের প্রাণ রক্ষাই এখন দায় হয়ে পড়েছে। বর্তমানে আওয়ামিলীগ সরকার গণমাধ্যমের শত্রু হিসেবে বারবার প্রমাণ দিয়েছে। এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায় ছাড়া গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব না। এজন্য এই সরকারের পতন আন্দোলনে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

তিনি সাগর রুনীসহ সকল সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার এবং সব বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দেয়ার জোর দাবি জানান।

সোমবার (৬ মার্চ) বিকালে জামাল খান রোড়স্থ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে দৈনিক দিনকাল পত্রিকা বন্ধের প্রতিবাদে দিনকাল চট্টগ্রাম অফিস, দিনকাল পাঠক ফোরাম ও স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতির মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট, গুম খুনের কথা যাতে জনসমক্ষে উন্মোচিত হতে না পারে, সে জন্য একের পর এক পত্রিকা বন্ধ করে দিচ্ছে সরকার। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখন সাংবাদিকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। আজ সাংবাদিকেরা স্বাধীনভাবে লিখতে পারছেন না। অবিলম্বে দিনকাল খুলে না দিলে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

এতে সংহতি জানিয়ে একাত্বতা প্রকাশ করেন স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতি বাংলাদেশ, দৈনিক দিনকাল পাঠক ফোরাম, নারীও শিশু অধিকার ফোরাম, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার এসোসিয়েশন।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার দিনকাল বন্ধের আগে আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি, চ্যানেল ওয়ানসহ বহু সংবাদমাধ্যম বন্ধ করেছে। আওয়ামিলীগ ও গণমাধ্যম একসাথে যায় না। দিনকাল বন্ধ করে তারা আবারও তা প্রমাণ দিল। এভাবে দিনের পর দিন মিডিয়ার উপর কালো থাবা আর সহ্য করা যায় না। অবিলম্বে দিনকাল পত্রিকা খুলে না দিলে আন্দোলনের মাধ্যমে দিনকালসহ বন্ধ সকল গণমাধ্যম খুলে দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রবীণ সাংবাদিক নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ও জুডিসিয়াল কমিটির সাবেক সদস্য মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, একটি দেশের সরকারের চরিত্র গণতান্ত্রিক না স্বৈরতান্ত্রিক তা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার নিরিখেই বিচার হয়ে থাকে। একমাত্র স্বাধীন ও বাধামুক্ত সংবাদপত্র কার্যকরভাবে সরকারের বঞ্চনা উন্মোচন করতে পারে এবং স্বাধীন সংবাদপত্রের দায়িত্ব রাজির মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রধান কর্তব্য হল সরকারের যে কোন বিভাগকে জনসাধারণকে প্রবঞ্চনা করা হতে বিরত রাখা। এখন বিভিন্নভাবে প্রলুব্ধ করে নতজানু সাংবাদিক সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের বাধা দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক সদস্য মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকতের সভাপতিত্বে এবং মো. ইদ্রিস আলী ও সাজ্জাদ হোসেন খানের পরিচালনায় মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক এম এ হালিম, স্বাধীন সংবাদপত্র পাঠক সমিতি কেন্দ্রীয় সভাপতি সাংবাদিক এস এম জামাল উদ্দীন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দীন, বিএনপি নেতা ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, ইন্জি. বেলায়েত হোসেন, ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান, এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, কাজী সালাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান, মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, দিনকাল চট্টগ্রাম অফিস প্রধান হাসান মুকুল, নারীও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব ডা.বেলায়েত হোসেন ঢালী, সাংবাদিক কামরুল হুদা, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম, ড্যাব নেতা ডা. জাহিদ হাসান, বিএনপি নেতা এম মন্জুর উদ্দীন চৌধুরী, জিয়া উদ্দীন আশফাক, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, নবাব মিয়া, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, নগর যুবদলের সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশারফ হোসেন, হাটহাজারী পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকের হোসেন, ইউসুফ সিকদার, বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী সরোয়ার খান মন্জু, আকতার খান, জসিম উদ্দীন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, জিয়াউর রহমান জিয়া, নগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দীন রাসেল, নগর ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম, যুবনেতা জিল্লুর রহমান জুয়েল, হাফেজ কামাল উদ্দীন, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মো. আলাউদ্দিন, মো. সালাউদ্দীন, মো. হাসান, আবদুল জলিল, মাহাবুব খালেদ, জাকির হোসেন, মাঈনুদ্দীন খান রাজিব, লায়ন আনোয়ার হোসেন উজ্জল, সৌরভ প্রিয় পাল, আজম খান, শহীদ ইকবাল, জহুরা বেগম, দিদার হেসেন, এন মো. রিমন, শহিদুজ্জাম শহীদ, রফিকুল ইসলাম, বিপ্লব চৌধুরী বিল্লু, আবু কাউসার, মো. মিল্টন, শাহাদাত হোসেন নাবিল, মো তুষাণ, সত্যজিৎ বড়ুয়া রুপু, মাহফুজুর রহমান, শাহরিয়ার প্রমুখ।