ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে পাহাড়িদের বৈসাবি উৎসব উচ্চ ডিগ্রি অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করছেন এম ইউ অ্যান্থনি হরিপুরে প্রকৃতি কে সভামন্ডিত করেছে হলুদ বরণের সোনালু ফুল নির্বাচনী আচারন লঙ্ঘন করায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থককে জরিমানা ডিজিটাল কারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার রোধে উচ্চতর প্রশিক্ষণের বিকল্প নাই- সিআইডি প্রধান রাজশাহীতে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত বাড্ডায় শিশু অপহরণ ও ক্রয় বিক্রয় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, শিশু মরিয়ম উদ্ধার ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও নিয়ে চিন্তিত সীমা সরকার দেশজুড়ে তোলপাড়! বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি জেলা কমিটি অনুমোদন সভাপতি কামরুজ্জামান সম্পাদক বাদশা এটিএন বাংলার চায়ের চুমুকে সংগঠক ও বিনোদন সাংবাদিক আবুল হোসেন মজুমদার

নুরুল হোসাইন চৌধুরীর হাতের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দৃশ্যপট

  • আপডেট সময় : ০৫:০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১৭০ বার পড়া হয়েছে

মুহাম্মদ এমরান
বান্দরবান:- পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার ০৩ নং ফাঁসিয়াখালীকে মডেল ইউনিয়নে পরিনত করছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী। বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়নে সম্পূর্ণ বদলে গেছে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দৃশ্যপট।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রামকে শহরে পরিণত করার জন্য সরকারী সম্পদের শতভাগ সুষম বণ্টন, পরিকল্পিত রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, শতভাগ ভিক্ষুক মুক্তকরণ, সড়ক বাতি স্থাপন, পতিত জমিতে একযোগে কয়েক লাখ বৃক্ষরোপণ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, কৃষকদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান, পরিচ্ছন্ন হাট-বাজার, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অগ্রগতি, অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা, শতভাগ বিদ্যুতায়নসহ স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের মাধ্যমে আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরীর হাতেই মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলা হচ্ছে।

২০২০ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে প্রথম আওয়ামী লীগ এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী। পরবর্তীতে ৩০০ নং আসনের সাংসদ সদস্য,  মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহোদয়ের পরিকল্পনায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এ ইউনিয়নের কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, দারিদ্র্যমুক্তি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি সরকারী সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে পুরো ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেন।

ইউনিয়নবাসীর মধ্যে দারিদ্র্যতা দূরীকরণের জন্য সরকারী নির্দেশন মোতাবেক খানা জরিপের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে সরকারী ভিজিডি, ভিজিএফসহ বিভিন্ন সামাজিক ভাতা দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীসহ সরকারী বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এ ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে।

সরকারী প্রণোদনাগুলো কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে বিতরণসহ কৃষকদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃষকদের রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে এনে ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করতে প্রতিনিয়ত উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহায়তায় বিভিন্ন গ্রামে ভার্মি কম্পোস্টের কারখানা গড়ে তুলেছেন কৃষকরা।

হাটবাজারগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ও ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ডাস্টবিন বিতরণ করা হয়েছে। ফলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাট ও বাজারে রূপান্তরিত হয়েছে পুরো ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন।

এছাড়াও সাংস্কৃতিক চর্চা বিস্তারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে স্কুলে স্কুলে গড়ে তোলা হয়েছে মুজিব কর্নার। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সম্প্রতি ইউনিয়নের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থে পুরস্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও মুক্তিযুদ্ধের বই বিতরণ করা হয়েছে ও হচ্ছে। যা লামা উপজেলার মধ্যে প্রথম কোন উদ্যোগ।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ছোট-বড় অপরাধগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করা হয়েছে। ইতোমধ্যে যার সুফল ভোগ করছে গোটা ইউনিয়নের বাসিন্দারা। ২০২০ সাল থেকে এ ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে প্রায় তিন শতাধিক মামলার আবেদন করা হয়। যার মধ্যে দুই শতাধিক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও কিছু মামলার বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পরপরই বান্দরবান ৩০০ নং আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাননীয় এমপি বীর বাহাদুর উশৈসিং নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই দীর্ঘদিনের ভাগ্যবঞ্চিত ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উন্নয়নের চিত্র পাল্টে যেতে শুরু করে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থমকে যায়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সাংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈশিং এমপির অক্লান্তিক প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি পায়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে আমি (নুরুল হোসাইন চৌধুরী) ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈশিং এমপির দিকনির্দেশনায় ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। ফলে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া এ ইউনিয়নটি কয়েক বছরের ব্যবধানে সাধারণ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাইলট ইউনিয়নে পরিণত করেছি। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে ইউনিয়নটিকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা হবে।

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে পাহাড়িদের বৈসাবি উৎসব

নুরুল হোসাইন চৌধুরীর হাতের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দৃশ্যপট

আপডেট সময় : ০৫:০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

মুহাম্মদ এমরান
বান্দরবান:- পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার ০৩ নং ফাঁসিয়াখালীকে মডেল ইউনিয়নে পরিনত করছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী। বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়নে সম্পূর্ণ বদলে গেছে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দৃশ্যপট।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রামকে শহরে পরিণত করার জন্য সরকারী সম্পদের শতভাগ সুষম বণ্টন, পরিকল্পিত রাস্তা, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, শতভাগ ভিক্ষুক মুক্তকরণ, সড়ক বাতি স্থাপন, পতিত জমিতে একযোগে কয়েক লাখ বৃক্ষরোপণ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, কৃষকদের সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান, পরিচ্ছন্ন হাট-বাজার, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অগ্রগতি, অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা, শতভাগ বিদ্যুতায়নসহ স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের মাধ্যমে আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরীর হাতেই মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলা হচ্ছে।

২০২০ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে প্রথম আওয়ামী লীগ এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এর সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী। পরবর্তীতে ৩০০ নং আসনের সাংসদ সদস্য,  মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি মহোদয়ের পরিকল্পনায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এ ইউনিয়নের কৃষি উৎপাদন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, দারিদ্র্যমুক্তি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি সরকারী সম্পদের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে পুরো ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেন।

ইউনিয়নবাসীর মধ্যে দারিদ্র্যতা দূরীকরণের জন্য সরকারী নির্দেশন মোতাবেক খানা জরিপের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে সরকারী ভিজিডি, ভিজিএফসহ বিভিন্ন সামাজিক ভাতা দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীসহ সরকারী বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এ ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা হয়েছে।

সরকারী প্রণোদনাগুলো কৃষকদের মাঝে সঠিকভাবে বিতরণসহ কৃষকদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। কৃষকদের রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে এনে ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করতে প্রতিনিয়ত উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহায়তায় বিভিন্ন গ্রামে ভার্মি কম্পোস্টের কারখানা গড়ে তুলেছেন কৃষকরা।

হাটবাজারগুলোকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ও ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে ডাস্টবিন বিতরণ করা হয়েছে। ফলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হাট ও বাজারে রূপান্তরিত হয়েছে পুরো ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন।

এছাড়াও সাংস্কৃতিক চর্চা বিস্তারের জন্য ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চেয়ারম্যানের নিজস্ব অর্থায়নে স্কুলে স্কুলে গড়ে তোলা হয়েছে মুজিব কর্নার। নতুন প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সম্প্রতি ইউনিয়নের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থে পুরস্কার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও মুক্তিযুদ্ধের বই বিতরণ করা হয়েছে ও হচ্ছে। যা লামা উপজেলার মধ্যে প্রথম কোন উদ্যোগ।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ছোট-বড় অপরাধগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার জন্য গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করা হয়েছে। ইতোমধ্যে যার সুফল ভোগ করছে গোটা ইউনিয়নের বাসিন্দারা। ২০২০ সাল থেকে এ ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে প্রায় তিন শতাধিক মামলার আবেদন করা হয়। যার মধ্যে দুই শতাধিক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়াও কিছু মামলার বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আলহাজ্ব নুরুল হোসাইন চৌধুরী বলেন, ১৯৯৬ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পরপরই বান্দরবান ৩০০ নং আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাননীয় এমপি বীর বাহাদুর উশৈসিং নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই দীর্ঘদিনের ভাগ্যবঞ্চিত ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের উন্নয়নের চিত্র পাল্টে যেতে শুরু করে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থমকে যায়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সাংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈশিং এমপির অক্লান্তিক প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি পায়। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে আমি (নুরুল হোসাইন চৌধুরী) ০৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে মাননীয় মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈশিং এমপির দিকনির্দেশনায় ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। ফলে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে পড়া এ ইউনিয়নটি কয়েক বছরের ব্যবধানে সাধারণ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাইলট ইউনিয়নে পরিণত করেছি। বর্তমান সরকারের উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে ইউনিয়নটিকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা হবে।