ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় সংবাদ পরিষদের সভাপতি নূর হাকিম সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী নান্টু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নিজের ঘরে নিজে আগুন দিয়ে মিথ্যা মামলায় হয়রানি গ্রামবাসীদের ফাঁসানোর চেষ্টা! সেুঁজুতির মনোনয়ন নিয়ে সাতক্ষীরায় তোলপাড়, শশুর রাজাকার! ভাসুর বিএনপি নেতা সাতকানিয়া ছদাহা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ (হাজার) টাকা জরিমানা বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের ববি শাখার নেতৃত্বে ইব্রাহিম-শান্ত প্রতারণার মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী ও তার স্বামী রিমান্ডে শাহজালালে যৌথ অভিযানে ২ কেজি ১০৪ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার, গ্রেফতার ৪ যাত্রী গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জাতীয় যুব কাউন্সিলের সভাপতি:মাসুদ আলম ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রামেবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ঢালীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!

  • মাসুদ রানা
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুলাই ২০২৩
  • ২১৪৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য (প্রাথমিক) মো. শাহাদাৎ হোসেন ঢালীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ ।মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও অভিভাবকরা গভর্নিং বডির সভাপতির কাছে বহু বার মৌখিক অভিযোগ করলে নিয়ম আর আইনের দোহাই দেখীয়ে লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়।
এর পর বেশ কয়েকবার লিখিত অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন ঢালীর বিরুদ্ধে। , শাহাদাৎ ঢালীর ‘সেইফ কোচিং সেন্টারে’ অসামাজিক কার্যকলাপ করা হয়। এছাড়া ঢালী নির্মাণ কমিটির সদস্য। নিজে নির্মাণকাজ করে অন্যের নামে বিল সাবমিট করেন। নিজেই বিল তৈরি করেন। একই বিল বার বার তৈরি করেন।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর ভর্তি নিয়ে পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য ‘বাণিজ্য’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। নামি এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বছরের ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার ছাপানোর নামেও বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগেরও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

একসময়ের নামকরা এই বিদ্যাপীঠ দিন দিন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে সুনাম নষ্ট হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। তাঁরা বলেন, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান এ প্রতিষ্ঠানটিকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন। শিক্ষার্থীদের মেধার ঝলকে একসময় ঢাকা বোর্ডের সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অনায়াসে স্থান করে নিত এই বিদ্যায়তন। এখন পড়াশোনার মানও দিন দিন নিম্নমুখী। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বিরুদ্ধেই উঠেছে নানা গুরুতর সব অভিযোগ।

বিশেষ করে মোঃশাহাদাৎ হোসেন ঢালীর বিরুদ্ধে ২০২২ সালে ১০ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করে ভর্তিপ্রতি ছয় লাখ করে টাকা নিয়েছেন। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। অধ্যক্ষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে এমন আচরণ করার সাহস পাচ্ছেন ঢালী।

অভিযোগের বিষয়ে মো. শাহাদাৎ হোসেন ঢালী বলেন, ‘আমি সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছি। সে কারণে হঠাৎ করে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। দেড় বছর আগে প্রধান শিক্ষকের (স্কুল শাখার) সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে। কোনও অভিযোগ না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে এইগুলো করা করছে।’

অধ্যক্ষের সঙ্গে সখ্য সম্পর্কে ঢালী বলেন, ‘অধ্যক্ষ নামাজ পড়েন। আমি তাকে কোনও খারাপ কাজ করতে দেখিনি।’

শাহাদাৎ হোসেন ঢালী বিশেষ করে আলোচনায় আসেন
(১ জুন) অভিভাবক মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য (ডোনার) খন্দকার মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা যখন আলোচনায় ঠিক তখনি ঢালীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলেন অভিভাবকরা।এ ছাড়াও কোন অভিভাবক ঢালীর বিরুদ্ধে কথা বললে তাকে বিভিন্ন ভাবে অপমান করার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢালীকে কল করা হলে বার বার কল কেটে দেওয়ায় ঢালীর মতামত নেওয়া সম্ভব হয় নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংবাদ পরিষদের সভাপতি নূর হাকিম সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী নান্টু

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ঢালীর বিরুদ্ধে অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০৫:০৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুলাই ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য (প্রাথমিক) মো. শাহাদাৎ হোসেন ঢালীর বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ ।মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও অভিভাবকরা গভর্নিং বডির সভাপতির কাছে বহু বার মৌখিক অভিযোগ করলে নিয়ম আর আইনের দোহাই দেখীয়ে লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়।
এর পর বেশ কয়েকবার লিখিত অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন ঢালীর বিরুদ্ধে। , শাহাদাৎ ঢালীর ‘সেইফ কোচিং সেন্টারে’ অসামাজিক কার্যকলাপ করা হয়। এছাড়া ঢালী নির্মাণ কমিটির সদস্য। নিজে নির্মাণকাজ করে অন্যের নামে বিল সাবমিট করেন। নিজেই বিল তৈরি করেন। একই বিল বার বার তৈরি করেন।

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর ভর্তি নিয়ে পরিচালনা পর্ষদের কয়েকজন সদস্য ‘বাণিজ্য’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। নামি এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বছরের ডায়েরি ও ক্যালেন্ডার ছাপানোর নামেও বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগেরও পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

একসময়ের নামকরা এই বিদ্যাপীঠ দিন দিন দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে সুনাম নষ্ট হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। তাঁরা বলেন, প্রাক্তন অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান এ প্রতিষ্ঠানটিকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন। শিক্ষার্থীদের মেধার ঝলকে একসময় ঢাকা বোর্ডের সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অনায়াসে স্থান করে নিত এই বিদ্যায়তন। এখন পড়াশোনার মানও দিন দিন নিম্নমুখী। পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বিরুদ্ধেই উঠেছে নানা গুরুতর সব অভিযোগ।

বিশেষ করে মোঃশাহাদাৎ হোসেন ঢালীর বিরুদ্ধে ২০২২ সালে ১০ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করে ভর্তিপ্রতি ছয় লাখ করে টাকা নিয়েছেন। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। অধ্যক্ষের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে এমন আচরণ করার সাহস পাচ্ছেন ঢালী।

অভিযোগের বিষয়ে মো. শাহাদাৎ হোসেন ঢালী বলেন, ‘আমি সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছি। সে কারণে হঠাৎ করে আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করা হয়েছে। দেড় বছর আগে প্রধান শিক্ষকের (স্কুল শাখার) সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে। কোনও অভিযোগ না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে এইগুলো করা করছে।’

অধ্যক্ষের সঙ্গে সখ্য সম্পর্কে ঢালী বলেন, ‘অধ্যক্ষ নামাজ পড়েন। আমি তাকে কোনও খারাপ কাজ করতে দেখিনি।’

শাহাদাৎ হোসেন ঢালী বিশেষ করে আলোচনায় আসেন
(১ জুন) অভিভাবক মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য (ডোনার) খন্দকার মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা যখন আলোচনায় ঠিক তখনি ঢালীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলেন অভিভাবকরা।এ ছাড়াও কোন অভিভাবক ঢালীর বিরুদ্ধে কথা বললে তাকে বিভিন্ন ভাবে অপমান করার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢালীকে কল করা হলে বার বার কল কেটে দেওয়ায় ঢালীর মতামত নেওয়া সম্ভব হয় নি।