ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মধুপুরে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে জরিমানা বদলগাছী উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি সানাউল হক হিরোর বিরুদ্ধে ছাগল চুরির অভিযোগ মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি একযুগ পর এসআই পরেশ কারবারি হত্যা মামলার পলাতক আসামী গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে চেয়ারম্যান হানিফ তালুকদার কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ না করেই প্রকল্পের টাকা উত্তোলন প্রকাশ হলো সুজন-তুলসীর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “কলেজ গার্ল” গাজীপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে সাংবাদিকের গাছপালা কেটে ক্ষতিসাধন মধুপুরে প্রাইভেটকার ও মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ আহত ৮ শিল্পী সমিতির সদস্যদের জন্য ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন ডিপজল জুড়ী নদীর বাঁধে ভাঙন ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শনে যান উপজেলা চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী মনি

শ্যামনগরে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রেজা ও তার পুত্রের বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী এক নারীকে হামলার অভিযোগে থানায় মামলা

  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১৬৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :-সাতক্ষীরা ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা ও তার পুত্র হুসাইন মোহাম্মদ মায়াজের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এক মহিলার বাসায় ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় গত ইং ১৮ অক্টোবর ২০২৩ কাফরুল থানায় ভুক্তভোগী মারিয়া জামান (২৮) নামের এক নারী বাদি হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রেজা ও তার পুত্রের বিরুদ্ধে উক্ত মামলা করেন। মামলা নাম্বার ২২ তারিখ ১৮/১০/২০২৩।
মামলার সুত্রে জানা যায় সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা সহ সকল আসামীগন বে-আইনি জনতাবদ্ধ হয়ে অনধিকার প্রবেশ করিয়া উক্ত মারিয়া জামান নামের মহিলার বাসায় ঢুকে তাকে হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম করে এবং তার বাসায় ভাঙচুর করা সহ তাকে শীলতাহানি ও বাসায় ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা সহ ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে।
যানা যায় গত ১৮ অক্টোবর বুধবার ঢাকা জেলার অন্তর্গত কাফরুল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন বাগেরহাট জেলার সেনপাড়া পর্বতা গ্রামের মৃত মনিরুজ্জামানের কন্যা মারিয়া জামান(২৮)। মামলার আসামীরা হলেন ঢাকা জেলার কাফরুল থানার সেনপাড়া পর্বতা গ্রামের শুকুর আলীর পুত্র সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা ও একই গ্রামের সাবেক সংসদ এইচ এম গোলাম রেজার পুত্র হোসাইন মোহাম্মদ মায়াজ এবং হোসাইন মোহাম্মদ মায়াজের স্ত্রী ডা:শামা আলী মনিকা। এ ঘটনায় মামলায় অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এজাহারে প্রথমিক সত্যতা পাওয়ায় কাফরুল থানায় মামলাটি রুজু করা হয়।ইতিমধ্যে কাফরুল থানার ওসি মামলাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন সাব ইন্সপেক্টর সাদ্দাম হোসেন ফয়েজকে।
মামলায় বাদীর এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ইং ৭/০২/২০২৩ তারিখে আসামীর মালিকানাধীন আমার বর্নিত বর্তমান ঠিকানার ফ্লাটটি ৭০ লক্ষ টাকা দাম নির্ধারন করে এবং নগদ পঞ্চাশ লক্ষ টাকা আসামীদের প্রদানের মাধ্যমে ক্রয় করে বসবাস করছি। ফ্লাট ক্রয় পরিবর্তীতে আসামীদের বিভিন্ন সময় আমাকে ফ্লাটটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বলা হলে তারা আমাকে ফ্লাটটি রেজিষ্ট্রি করে না দিয়ে বিভিন্নভাবে ঘুরাইতে থাকে এবং আমাকে ফ্লাট হতে বের করে দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ পায়তারা করতে থাকে। এমতাবস্থায় গত ইং ১৭/১০/২০২৩ তারিখ সন্ধ্যায় আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় আমি বাইরে হতে বাসায় ফিরে উক্ত আসামী গনদেরকে আমার বাসার সামনে লোহার রড সহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়া দাঁড়াইয়ে থাকতে দেখি। তারপর আমি বাসার ভিতরে চলে যাই। আমি বাসায় যাওয়ার পরপরই অর্থাৎ ১৭/১০/২০২৩ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ টার সময় উক্ত আসামী গন তাদের হাতে লোহার রড সহ অস্ত্র সস্ত্র নিয়া আমার বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে আমাকে লোহার রড দ্বারা পিটাইয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফোলা যখন করে। তাদের লোহার রড দ্বারা আমার মুখের ডান পাশে আঘাত করে কাটা রক্তাক্ত জখম করে। তখন আমি রড এক হাত দিয়ে ধরে ফেললে আসামীরা আমার থুতনিতে ঘুসি মেরে ছিলা ফুলা জখম করে। উক্ত সময় আমার মা ময়না বেগম ও ছোট বোন তাহামিনা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে। উক্ত সময় আমি আসামিদের কোনরকম ধাক্কা মেরে বাসা হতে বাহির করিয়া দিলে আসামিরা চলে যায়। আসামিরা যাওয়ার পরপরই গোলাম রেজার ছেলে মোহাম্মদ মায়াজ সহ অন্যান্য আসামিরা দ্বিতীয় বার তাদের হাতের লোহার রড ও লাঠির সোটা সহ বেআইনি জনতা বদ্ধ হয়ে আমার বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে পুনরায় আমাকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটাইয়া আমাকে শীলতাহানি সহ আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম করে। একপর্যায়ে দুই নাম্বার আসামি তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমার বাম হাতে বাহুর উপর সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। আমি বিবাদীদের আঘাতের ফলে ঘরের মধ্যে ফ্লোরে পড়ে গেলে এক নাম্বার আসামী এইচ এম গোলাম রেজা সহ সকল আসামী আমাকে পা দিয়া পাড়াইতে থাকে। তখন আমার মা ও ছোট বোন তাহমিনা সহ আমার দুই মেয়ে আমাকে বাঁচাইতে আসলে সকল আসামী গণ তাহাদেরও ঘুসি মেরে আহত করে। তাদের আঘাতে আমার ছোট বোন তাহমিনা, তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড ফুলা যখম হয়। একপর্যায়ে আসামীরা লোহার রড ও লাঠি দ্বারা পিটাইয়া আমার ঘরের তিনটি আলমারি ভাঙচুর করে আনুমানিক ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। তখন এক নাম্বর আসামির ছেলে আমার ঘরে আলমারিতে দুটি নেকলেস সেট সহ যার ওজন অনুমানিক ৬ ভরি, মূল্য ৬ লক্ষ টাকা, হোয়াইট গোল্ডের একটি চেইন,একটি লকেট, দুটি কানের দুল, একটি আংটি, যার মোট ওজন সাতভরি ১২ আনা, আনুমানিক মূল্য ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, দুবাইয়ের ৩০৭০ দেরহাম, ইউ এস ডলার ২২ হাজার ৯৫০, একটি সুইচ, একটি টাইটান ঘড়ি, একটি গোসি ব্রান্ড ঘড়ি, যার আনুমানিক মূল্য ষাট হাজার টাকা, আমার বোনের ভিভো মোবাইল সেট ও মায়ের ব্যবহৃত একটি বাটন ফোন যাহার মূল্য আনুমানিক মূল্য ২৪৫০০ টাকা সহ আমার দামি শাড়িসহ অন্যান্য দামি পোশাক যাহার সর্বমোট মূল্য অনুমান ৪৫ লক্ষ টাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফ্ল্যাটের কাগজপত্রের ফাইল কৌশলে চুরি করে নিয়ে নেয় এবং আমাদের কে উক্ত ফ্লাট হতে বের করে দিয়া বাসা তালা বন্ধ করে রাখে। অতঃপর আমি ও আমার ছোট বোন তাহমিনা শহীদ সহরার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করি। চিকিৎসা শেষে ঘটনার বিষয়ে নিকট আত্মীয় স্বজনদের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় উপস্থিত হয়ে এজাহার দায়ের করি।
এদিকে ঘটনা ও মামলার বিষয় জানার জন্য সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজাকে মুঠো ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। ভূক্তভোগী ওই নারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ প্রশাসনের সকলের কাছে ন্যায়বিচার দাবী করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুরে বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে জরিমানা

শ্যামনগরে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রেজা ও তার পুত্রের বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী এক নারীকে হামলার অভিযোগে থানায় মামলা

আপডেট সময় : ১০:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩

বিশেষ প্রতিনিধি :-সাতক্ষীরা ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা ও তার পুত্র হুসাইন মোহাম্মদ মায়াজের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এক মহিলার বাসায় ঢুকে হামলার অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় গত ইং ১৮ অক্টোবর ২০২৩ কাফরুল থানায় ভুক্তভোগী মারিয়া জামান (২৮) নামের এক নারী বাদি হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রেজা ও তার পুত্রের বিরুদ্ধে উক্ত মামলা করেন। মামলা নাম্বার ২২ তারিখ ১৮/১০/২০২৩।
মামলার সুত্রে জানা যায় সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা সহ সকল আসামীগন বে-আইনি জনতাবদ্ধ হয়ে অনধিকার প্রবেশ করিয়া উক্ত মারিয়া জামান নামের মহিলার বাসায় ঢুকে তাকে হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর জখম করে এবং তার বাসায় ভাঙচুর করা সহ তাকে শীলতাহানি ও বাসায় ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা সহ ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে।
যানা যায় গত ১৮ অক্টোবর বুধবার ঢাকা জেলার অন্তর্গত কাফরুল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন বাগেরহাট জেলার সেনপাড়া পর্বতা গ্রামের মৃত মনিরুজ্জামানের কন্যা মারিয়া জামান(২৮)। মামলার আসামীরা হলেন ঢাকা জেলার কাফরুল থানার সেনপাড়া পর্বতা গ্রামের শুকুর আলীর পুত্র সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজা ও একই গ্রামের সাবেক সংসদ এইচ এম গোলাম রেজার পুত্র হোসাইন মোহাম্মদ মায়াজ এবং হোসাইন মোহাম্মদ মায়াজের স্ত্রী ডা:শামা আলী মনিকা। এ ঘটনায় মামলায় অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এজাহারে প্রথমিক সত্যতা পাওয়ায় কাফরুল থানায় মামলাটি রুজু করা হয়।ইতিমধ্যে কাফরুল থানার ওসি মামলাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন সাব ইন্সপেক্টর সাদ্দাম হোসেন ফয়েজকে।
মামলায় বাদীর এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ইং ৭/০২/২০২৩ তারিখে আসামীর মালিকানাধীন আমার বর্নিত বর্তমান ঠিকানার ফ্লাটটি ৭০ লক্ষ টাকা দাম নির্ধারন করে এবং নগদ পঞ্চাশ লক্ষ টাকা আসামীদের প্রদানের মাধ্যমে ক্রয় করে বসবাস করছি। ফ্লাট ক্রয় পরিবর্তীতে আসামীদের বিভিন্ন সময় আমাকে ফ্লাটটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বলা হলে তারা আমাকে ফ্লাটটি রেজিষ্ট্রি করে না দিয়ে বিভিন্নভাবে ঘুরাইতে থাকে এবং আমাকে ফ্লাট হতে বের করে দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ পায়তারা করতে থাকে। এমতাবস্থায় গত ইং ১৭/১০/২০২৩ তারিখ সন্ধ্যায় আনুমানিক ৬ ঘটিকার সময় আমি বাইরে হতে বাসায় ফিরে উক্ত আসামী গনদেরকে আমার বাসার সামনে লোহার রড সহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়া দাঁড়াইয়ে থাকতে দেখি। তারপর আমি বাসার ভিতরে চলে যাই। আমি বাসায় যাওয়ার পরপরই অর্থাৎ ১৭/১০/২০২৩ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ টার সময় উক্ত আসামী গন তাদের হাতে লোহার রড সহ অস্ত্র সস্ত্র নিয়া আমার বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে আমাকে লোহার রড দ্বারা পিটাইয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফোলা যখন করে। তাদের লোহার রড দ্বারা আমার মুখের ডান পাশে আঘাত করে কাটা রক্তাক্ত জখম করে। তখন আমি রড এক হাত দিয়ে ধরে ফেললে আসামীরা আমার থুতনিতে ঘুসি মেরে ছিলা ফুলা জখম করে। উক্ত সময় আমার মা ময়না বেগম ও ছোট বোন তাহামিনা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে। উক্ত সময় আমি আসামিদের কোনরকম ধাক্কা মেরে বাসা হতে বাহির করিয়া দিলে আসামিরা চলে যায়। আসামিরা যাওয়ার পরপরই গোলাম রেজার ছেলে মোহাম্মদ মায়াজ সহ অন্যান্য আসামিরা দ্বিতীয় বার তাদের হাতের লোহার রড ও লাঠির সোটা সহ বেআইনি জনতা বদ্ধ হয়ে আমার বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে পুনরায় আমাকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটাইয়া আমাকে শীলতাহানি সহ আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম করে। একপর্যায়ে দুই নাম্বার আসামি তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা আমার বাম হাতে বাহুর উপর সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম করে। আমি বিবাদীদের আঘাতের ফলে ঘরের মধ্যে ফ্লোরে পড়ে গেলে এক নাম্বার আসামী এইচ এম গোলাম রেজা সহ সকল আসামী আমাকে পা দিয়া পাড়াইতে থাকে। তখন আমার মা ও ছোট বোন তাহমিনা সহ আমার দুই মেয়ে আমাকে বাঁচাইতে আসলে সকল আসামী গণ তাহাদেরও ঘুসি মেরে আহত করে। তাদের আঘাতে আমার ছোট বোন তাহমিনা, তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড ফুলা যখম হয়। একপর্যায়ে আসামীরা লোহার রড ও লাঠি দ্বারা পিটাইয়া আমার ঘরের তিনটি আলমারি ভাঙচুর করে আনুমানিক ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। তখন এক নাম্বর আসামির ছেলে আমার ঘরে আলমারিতে দুটি নেকলেস সেট সহ যার ওজন অনুমানিক ৬ ভরি, মূল্য ৬ লক্ষ টাকা, হোয়াইট গোল্ডের একটি চেইন,একটি লকেট, দুটি কানের দুল, একটি আংটি, যার মোট ওজন সাতভরি ১২ আনা, আনুমানিক মূল্য ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, দুবাইয়ের ৩০৭০ দেরহাম, ইউ এস ডলার ২২ হাজার ৯৫০, একটি সুইচ, একটি টাইটান ঘড়ি, একটি গোসি ব্রান্ড ঘড়ি, যার আনুমানিক মূল্য ষাট হাজার টাকা, আমার বোনের ভিভো মোবাইল সেট ও মায়ের ব্যবহৃত একটি বাটন ফোন যাহার মূল্য আনুমানিক মূল্য ২৪৫০০ টাকা সহ আমার দামি শাড়িসহ অন্যান্য দামি পোশাক যাহার সর্বমোট মূল্য অনুমান ৪৫ লক্ষ টাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফ্ল্যাটের কাগজপত্রের ফাইল কৌশলে চুরি করে নিয়ে নেয় এবং আমাদের কে উক্ত ফ্লাট হতে বের করে দিয়া বাসা তালা বন্ধ করে রাখে। অতঃপর আমি ও আমার ছোট বোন তাহমিনা শহীদ সহরার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করি। চিকিৎসা শেষে ঘটনার বিষয়ে নিকট আত্মীয় স্বজনদের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় উপস্থিত হয়ে এজাহার দায়ের করি।
এদিকে ঘটনা ও মামলার বিষয় জানার জন্য সাবেক সংসদ সদস্য এইচ এম গোলাম রেজাকে মুঠো ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। ভূক্তভোগী ওই নারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ প্রশাসনের সকলের কাছে ন্যায়বিচার দাবী করেন।