ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় সংবাদ পরিষদের সভাপতি নূর হাকিম সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী নান্টু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নিজের ঘরে নিজে আগুন দিয়ে মিথ্যা মামলায় হয়রানি গ্রামবাসীদের ফাঁসানোর চেষ্টা! সেুঁজুতির মনোনয়ন নিয়ে সাতক্ষীরায় তোলপাড়, শশুর রাজাকার! ভাসুর বিএনপি নেতা সাতকানিয়া ছদাহা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ (হাজার) টাকা জরিমানা বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের ববি শাখার নেতৃত্বে ইব্রাহিম-শান্ত প্রতারণার মামলায় যুব-মহিলালীগ নেত্রী ও তার স্বামী রিমান্ডে শাহজালালে যৌথ অভিযানে ২ কেজি ১০৪ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার, গ্রেফতার ৪ যাত্রী গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জাতীয় যুব কাউন্সিলের সভাপতি:মাসুদ আলম ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রামেবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিচয়ে হুমকি আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোক!

  • মাসুদ রানা
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ২৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার আওতাধীন ইমপালস হাসপাতাল। করোনাকালে হাসপাতালটি বেশ সুনাম কুড়িয়েছিল; কিন্তু বর্তমানে মালিকপক্ষের দ্বন্দ্বে ডুবতে বসেছে হাসপাতালটি। 
হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাহির আলামিন বলেন, গত মাসের ৯ তারিখে হঠাৎ একটি অবৈধ বোর্ডসভার মাধ্যমে বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও মামলার আসামি এবং মহিলা দলের অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদিকা খালেদা ইয়াসমিনকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয়; যার কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং এই মহিলা দলের নেত্রী খালেদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে আমাকে অপমান করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। 

পরবর্তীতে আমি আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত শুনানি করে ৭ ফেব্রুয়ারি আমার পক্ষে রায় দিয়ে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ রায়ের কপি নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে থানায় যাই এবং ওসির সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালে গিয়ে আমার অফিস রুমে যাওয়ার লক্ষ্যে উপরে উঠার চেষ্টা করি,কিন্তু নিচেই আমাকে বাধা দেওয়া হয়। পরে পুলিশের সাহায্যে আমি বিকালে উপরে উঠি এবং আমার রুমে প্রবেশ করি। 

তিনি বলেন, রাতের বেলায় হঠাৎ এক লোক এসে নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে বলেন- আপনি এই চেয়ারে বসে আছেন কেন? তখন আমি তাকে বলি আপনি কি ‘ল’ বুঝেন? এরপরই ওই লোক বলেন- আমি ‘ল’ জানি না, মানুষ মারতে পারি এবং মানুষ জবাই করতে পারি- এ কথা বলেই আমার ওপর হামলা চালায়। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকরা আমাকে তার হাত থেকে বাঁচান। যেসব সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন তাদের মোবাইল এবং ভিডিও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে কিন্তু সব সাংবাদিকের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে ওই ব্যক্তি চলে যান। এ ঘটনার ভিডিও রয়েছে আমার কাছে। 
ডা. জাহির আলামিন বলেন, তার কিছুক্ষণ পরই মনির নামের আরেকজন লোক এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে তাকে পাঠিয়েছে বলে আমাকে বের করে দেন। এর আগে আমাকে কৌশলে এক রোগীর মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে বিএমডিসি কর্তৃক এক বছরের নিষেধাজ্ঞা করানো হয়- এই খালেদা ইয়াসমিন সিন্ডিকেটের কূটকৌশলে; যার যথেষ্ট প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।  এভাবেই তারা আমাকে বারবার আক্রমণ করছে,আমি এর বিচার চাই।
 
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক রায়হান বলেন, ইমপালস হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে দেখি প্রতিপক্ষ গ্রুপ বহিরাগত লোকজন ডা. জাহির আলাআমিনকে নিয়ে অকথ্য গালিগালাজ করছে এবং এক লোক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে আমিসহ উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের এমডির রুম থেকে জোর করে গালিগালাজ করে বের করে দিয়ে ডা. জাহির আলামিনকে মারধর করতে থাকে। পরে আমরা তাকে বাধা দেই এবং ছবি তুলা শুরু করি। পরক্ষণেই আমাদের এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।
 
অভিযুক্ত খালেদা ইয়াসমিনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি বলেন, আমি এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংবাদ পরিষদের সভাপতি নূর হাকিম সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী নান্টু

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিচয়ে হুমকি আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোক!

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃরাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার আওতাধীন ইমপালস হাসপাতাল। করোনাকালে হাসপাতালটি বেশ সুনাম কুড়িয়েছিল; কিন্তু বর্তমানে মালিকপক্ষের দ্বন্দ্বে ডুবতে বসেছে হাসপাতালটি। 
হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাহির আলামিন বলেন, গত মাসের ৯ তারিখে হঠাৎ একটি অবৈধ বোর্ডসভার মাধ্যমে বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও মামলার আসামি এবং মহিলা দলের অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদিকা খালেদা ইয়াসমিনকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয়; যার কোনো আইনি বৈধতা নেই এবং এই মহিলা দলের নেত্রী খালেদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে আমাকে অপমান করে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। 

পরবর্তীতে আমি আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত শুনানি করে ৭ ফেব্রুয়ারি আমার পক্ষে রায় দিয়ে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ রায়ের কপি নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে থানায় যাই এবং ওসির সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালে গিয়ে আমার অফিস রুমে যাওয়ার লক্ষ্যে উপরে উঠার চেষ্টা করি,কিন্তু নিচেই আমাকে বাধা দেওয়া হয়। পরে পুলিশের সাহায্যে আমি বিকালে উপরে উঠি এবং আমার রুমে প্রবেশ করি। 

তিনি বলেন, রাতের বেলায় হঠাৎ এক লোক এসে নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে বলেন- আপনি এই চেয়ারে বসে আছেন কেন? তখন আমি তাকে বলি আপনি কি ‘ল’ বুঝেন? এরপরই ওই লোক বলেন- আমি ‘ল’ জানি না, মানুষ মারতে পারি এবং মানুষ জবাই করতে পারি- এ কথা বলেই আমার ওপর হামলা চালায়। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকরা আমাকে তার হাত থেকে বাঁচান। যেসব সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন তাদের মোবাইল এবং ভিডিও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে কিন্তু সব সাংবাদিকের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে ওই ব্যক্তি চলে যান। এ ঘটনার ভিডিও রয়েছে আমার কাছে। 
ডা. জাহির আলামিন বলেন, তার কিছুক্ষণ পরই মনির নামের আরেকজন লোক এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে তাকে পাঠিয়েছে বলে আমাকে বের করে দেন। এর আগে আমাকে কৌশলে এক রোগীর মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে বিএমডিসি কর্তৃক এক বছরের নিষেধাজ্ঞা করানো হয়- এই খালেদা ইয়াসমিন সিন্ডিকেটের কূটকৌশলে; যার যথেষ্ট প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।  এভাবেই তারা আমাকে বারবার আক্রমণ করছে,আমি এর বিচার চাই।
 
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিক রায়হান বলেন, ইমপালস হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে দেখি প্রতিপক্ষ গ্রুপ বহিরাগত লোকজন ডা. জাহির আলাআমিনকে নিয়ে অকথ্য গালিগালাজ করছে এবং এক লোক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে আমিসহ উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদের এমডির রুম থেকে জোর করে গালিগালাজ করে বের করে দিয়ে ডা. জাহির আলামিনকে মারধর করতে থাকে। পরে আমরা তাকে বাধা দেই এবং ছবি তুলা শুরু করি। পরক্ষণেই আমাদের এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়।
 
অভিযুক্ত খালেদা ইয়াসমিনের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি বলেন, আমি এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।