ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে পাহাড়িদের বৈসাবি উৎসব উচ্চ ডিগ্রি অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করছেন এম ইউ অ্যান্থনি হরিপুরে প্রকৃতি কে সভামন্ডিত করেছে হলুদ বরণের সোনালু ফুল নির্বাচনী আচারন লঙ্ঘন করায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থককে জরিমানা ডিজিটাল কারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার রোধে উচ্চতর প্রশিক্ষণের বিকল্প নাই- সিআইডি প্রধান রাজশাহীতে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত বাড্ডায় শিশু অপহরণ ও ক্রয় বিক্রয় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, শিশু মরিয়ম উদ্ধার ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও নিয়ে চিন্তিত সীমা সরকার দেশজুড়ে তোলপাড়! বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি জেলা কমিটি অনুমোদন সভাপতি কামরুজ্জামান সম্পাদক বাদশা এটিএন বাংলার চায়ের চুমুকে সংগঠক ও বিনোদন সাংবাদিক আবুল হোসেন মজুমদার

হোটেলে বিনিয়োগের নামে ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে গ্রীন ডেল্টা হাউজিং!

  • মাসুদ রানা
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩
  • ২৩০৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গ্রাহকদের শত কোটি টাকা আত্নসাৎকারি প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডেল্টা হাউজিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড নবরুপে হাজির হয়েছে গোল্ডসেন্ড এন্ড রিসোর্ট লিমিটেড নামে ।অনুসন্ধানে জানা যায়,বর্তমানে এই কোম্পানি তাদের পূর্বের কর্মকান্ড আড়াল করে নতুন নাম দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপনে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার কলাতলীতে বে স্যান্ডস , হিমছড়িতে বেষ্ট ওয়েষ্টার্ন প্লাস ,বে হিলস,কুয়াকাটায় বে ব্রিজ এছাড়াও পদ্মার পাড়ে জাজিরা পয়েন্টে ‍ দ্যা গ্র্যান্ড পদ্মা রিসোর্ট নামে কতিথ পাঁচ তারকা মানের হোটেলে সুইট রুম বিক্রয়ের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এতে করে প্রতারিত হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে অসংখ্য গ্রাহক। জানা যায়, এই কোম্পানির মালিক বহু মামলার আসামি এবং বিতর্কিত গ্রীন ডেল্টা হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন ওরফে বাকের ও তার ছেলে মোঃ বেলাল হোসেন গ্রীন ডেল্টা ও গোল্ড স্যান্ডস হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ।

গ্রীন ডেল্টার প্রতারিত একজন গ্রাহক জানায় নতুন করে প্রতারণার জন্য গোল্ডস্যান্ড গ্রুপ নাম দিয়ে নতুন কোম্পানি খুলে শুরু করেছে তাদের পুরনো প্রতারনা ব্যবসা । বাহারি নামের ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিনিয়োগের নাম করে মানুষদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের শেষ সম্ভল । আমরা সাধারন মানুষরা বিভিন্ন মিডিয়ার কল্যাণে গ্রীন ডেল্টার প্রতারনার কথা জানতে পেরেছিলাম এবং কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছিল আর মালিকপক্ষরা আত্নগোপনে চলে গিয়েছিল । হটাৎ নতুন মোড়কে একই ব্যাক্তিরা বিগত কয়েক বছর যাবত সেই পুরনো কৌশল নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন যা অনেকেরই অজানা । বেলাল হোসেন,দিলদার হোসেন,আমির হোসেন স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে বাইনা চুক্তিতে জমি নিয়ে লোভনীয় বিভিন্ন প্রকল্পের সাইনবোর্ড টানিয়ে তুলনায় কম দামে ফ্ল্যাট বা সুইট রুম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপ শুরু করে বাহারি প্রচারণা। স্বপ্নের পর্যটন নগরিতে একটু মুনাফার আশায় গ্রাহকরা এখানে বিনিয়োগ করে গ্রীন ডেল্টার মত প্রতারিত হচ্ছে ।

গ্রীন ডেল্টা হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডনামে একটি আবাসন কোম্পানি তৈরি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলাতক ছিল এই বেলাল হোসেন সিন্ডিকেট । তাদের প্রতারণা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় শত শত গ্রাহক রাস্তায় নেমে মানববন্ধন,অফিস ঘেরাও সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে টাকা ফেরত চেয়ে মামলা করেছিল প্রতিষ্ঠানটির মালিক নূরুল আমিন,বেলাল হোসেন,দিলদার হোসেন সহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে।

প্রতারিত গ্রাহকরা এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রাজউকে কয়েক ডজন অভিযোগ দেয়। এতকিছুর পরে পুনরায় নিজের পরিচয় গোপন রেখে নয়া প্রতারণার কৌশল হিসাবে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে । এরা এই প্রতিষ্ঠানের
আড়ালে নতুন করে ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে। গত কয়েকটি আবাসন মেলায় তারা অংশ নেওয়ার পর নতুন পরিচয়ে ফের প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ পায়। রাজধানির কয়েকটি থানায় প্রতারক গ্রীন ডেল্টা ও গোল্ড স্যান্ডস’র মালিক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে । শত শত গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন একটি বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা । কাফরুল থানায় প্রতারিত গ্রাহক নাসির উদ্দিনের দায়ের করা মামলার এজহারে দেখা যায় ,নুরুল আমিন ওরফে বাকের, মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ দিলদার হোসেন, মোঃ আমির হসেন,সানজিদা আক্তার স্মৃতি, উম্মে কুলসুল শিমুল চৌধুরী ও এস এম মোরশেদকে আসামি করা হয়েছে ।

এরা সকলেই গ্রীন ডেল্টা ও নবগঠিত গোল্ড স্যান্ডস হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডের মালিক-কর্মকর্তা । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রীন ডেল্টার প্রতারিত একজন গ্রাহক জানান, তাদের একটি প্রকল্পে ফ্ল্যাট কিনে দেখি এটি আরও ৬ জনের কাছে বিক্রি করেছে । এ ব্যাপারে বহুবার যোগাযোগ করেও কোনও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে কোম্পানিটি তাদের ধানমণ্ডির কর্পোরেট অফিস বন্ধ করে দিয়ে উধাও হয়ে যায়।

প্রতারিত গ্রাহক আরও জানান, কোম্পানির প্রতারক মালিক-কর্মকর্তারা গাঢাকা দেওয়ার পর তারা জানতে পারেন, শুধু তাদের এই প্রকল্পটিই নয়, প্রায় শতাধিক আবাসন প্রকল্পের শত শত গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ওই প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক শত কোটি টাকা। প্রায় ৬ বছর বিভিন্ন ভাবে দেন দনবার করে তাদের উত্তরা প্রজেক্টে আরও নিম্ন দামের ফ্ল্যাট নিয়ে চুপ থাকতে হয়েছে ।ফ্ল্যাট নিলাম গুলশানে আর পেলাম উত্তরাতে তাও কত যুদ্ধ করে । আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে , এরপরও ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে এসকল প্রতারকরা । অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানতে বার বার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি ।

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে পাহাড়িদের বৈসাবি উৎসব

হোটেলে বিনিয়োগের নামে ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে গ্রীন ডেল্টা হাউজিং!

আপডেট সময় : ০৫:২৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গ্রাহকদের শত কোটি টাকা আত্নসাৎকারি প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডেল্টা হাউজিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড নবরুপে হাজির হয়েছে গোল্ডসেন্ড এন্ড রিসোর্ট লিমিটেড নামে ।অনুসন্ধানে জানা যায়,বর্তমানে এই কোম্পানি তাদের পূর্বের কর্মকান্ড আড়াল করে নতুন নাম দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপনে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার কলাতলীতে বে স্যান্ডস , হিমছড়িতে বেষ্ট ওয়েষ্টার্ন প্লাস ,বে হিলস,কুয়াকাটায় বে ব্রিজ এছাড়াও পদ্মার পাড়ে জাজিরা পয়েন্টে ‍ দ্যা গ্র্যান্ড পদ্মা রিসোর্ট নামে কতিথ পাঁচ তারকা মানের হোটেলে সুইট রুম বিক্রয়ের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এতে করে প্রতারিত হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে অসংখ্য গ্রাহক। জানা যায়, এই কোম্পানির মালিক বহু মামলার আসামি এবং বিতর্কিত গ্রীন ডেল্টা হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন ওরফে বাকের ও তার ছেলে মোঃ বেলাল হোসেন গ্রীন ডেল্টা ও গোল্ড স্যান্ডস হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ।

গ্রীন ডেল্টার প্রতারিত একজন গ্রাহক জানায় নতুন করে প্রতারণার জন্য গোল্ডস্যান্ড গ্রুপ নাম দিয়ে নতুন কোম্পানি খুলে শুরু করেছে তাদের পুরনো প্রতারনা ব্যবসা । বাহারি নামের ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিনিয়োগের নাম করে মানুষদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের শেষ সম্ভল । আমরা সাধারন মানুষরা বিভিন্ন মিডিয়ার কল্যাণে গ্রীন ডেল্টার প্রতারনার কথা জানতে পেরেছিলাম এবং কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছিল আর মালিকপক্ষরা আত্নগোপনে চলে গিয়েছিল । হটাৎ নতুন মোড়কে একই ব্যাক্তিরা বিগত কয়েক বছর যাবত সেই পুরনো কৌশল নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন যা অনেকেরই অজানা । বেলাল হোসেন,দিলদার হোসেন,আমির হোসেন স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে বাইনা চুক্তিতে জমি নিয়ে লোভনীয় বিভিন্ন প্রকল্পের সাইনবোর্ড টানিয়ে তুলনায় কম দামে ফ্ল্যাট বা সুইট রুম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপ শুরু করে বাহারি প্রচারণা। স্বপ্নের পর্যটন নগরিতে একটু মুনাফার আশায় গ্রাহকরা এখানে বিনিয়োগ করে গ্রীন ডেল্টার মত প্রতারিত হচ্ছে ।

গ্রীন ডেল্টা হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেডনামে একটি আবাসন কোম্পানি তৈরি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলাতক ছিল এই বেলাল হোসেন সিন্ডিকেট । তাদের প্রতারণা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় শত শত গ্রাহক রাস্তায় নেমে মানববন্ধন,অফিস ঘেরাও সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে টাকা ফেরত চেয়ে মামলা করেছিল প্রতিষ্ঠানটির মালিক নূরুল আমিন,বেলাল হোসেন,দিলদার হোসেন সহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে।

প্রতারিত গ্রাহকরা এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রাজউকে কয়েক ডজন অভিযোগ দেয়। এতকিছুর পরে পুনরায় নিজের পরিচয় গোপন রেখে নয়া প্রতারণার কৌশল হিসাবে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে । এরা এই প্রতিষ্ঠানের
আড়ালে নতুন করে ভয়ঙ্কর প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে। গত কয়েকটি আবাসন মেলায় তারা অংশ নেওয়ার পর নতুন পরিচয়ে ফের প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ পায়। রাজধানির কয়েকটি থানায় প্রতারক গ্রীন ডেল্টা ও গোল্ড স্যান্ডস’র মালিক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে । শত শত গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন একটি বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা । কাফরুল থানায় প্রতারিত গ্রাহক নাসির উদ্দিনের দায়ের করা মামলার এজহারে দেখা যায় ,নুরুল আমিন ওরফে বাকের, মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ দিলদার হোসেন, মোঃ আমির হসেন,সানজিদা আক্তার স্মৃতি, উম্মে কুলসুল শিমুল চৌধুরী ও এস এম মোরশেদকে আসামি করা হয়েছে ।

এরা সকলেই গ্রীন ডেল্টা ও নবগঠিত গোল্ড স্যান্ডস হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডের মালিক-কর্মকর্তা । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রীন ডেল্টার প্রতারিত একজন গ্রাহক জানান, তাদের একটি প্রকল্পে ফ্ল্যাট কিনে দেখি এটি আরও ৬ জনের কাছে বিক্রি করেছে । এ ব্যাপারে বহুবার যোগাযোগ করেও কোনও সমাধান পাওয়া যায়নি। পরে কোম্পানিটি তাদের ধানমণ্ডির কর্পোরেট অফিস বন্ধ করে দিয়ে উধাও হয়ে যায়।

প্রতারিত গ্রাহক আরও জানান, কোম্পানির প্রতারক মালিক-কর্মকর্তারা গাঢাকা দেওয়ার পর তারা জানতে পারেন, শুধু তাদের এই প্রকল্পটিই নয়, প্রায় শতাধিক আবাসন প্রকল্পের শত শত গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ওই প্রতারক চক্র হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক শত কোটি টাকা। প্রায় ৬ বছর বিভিন্ন ভাবে দেন দনবার করে তাদের উত্তরা প্রজেক্টে আরও নিম্ন দামের ফ্ল্যাট নিয়ে চুপ থাকতে হয়েছে ।ফ্ল্যাট নিলাম গুলশানে আর পেলাম উত্তরাতে তাও কত যুদ্ধ করে । আদালতে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে , এরপরও ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছে এসকল প্রতারকরা । অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানতে বার বার কল দিয়েও পাওয়া যায়নি ।